রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বাবর আজমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি বোলারদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং এবং মাঠের পরিকল্পনা কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। বাবর আজম যখন তখনো রান করতে পারেননি, তখন শরীফুল ইসলামের বলে লিটন দাস তার একটি সহজ ক্যাচ মিস করেন। এতে শঙ্কা দেখা দেয় যে বাবর উইকেটে থিতু হয়ে যেতে পারেন। তবে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ের কারণে বাবর আজমের ইনিংস ২২ রানেই থেমে যায়।
বিসিবি প্রকাশিত এক ভিডিওতে নাহিদ রানা জানান যে, অধিনায়ক নাজমুল হাসানের পরিকল্পনার ফলেই তিনি বাবরকে আউট করতে সক্ষম হন। নাহিদ বলেন, "অধিনায়ক আমাকে সামনে বাউন্সার করার পরিকল্পনা দিয়েছিল। বাবর আগেই চাপে ছিল, কারণ শরীফুল ও হাসান মাহমুদ ভালো বোলিং করেছে। ব্যাকফুটে থাকতে থাকতে সামনের বলে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হয় বাবর।"
রানার করা ১৪৬.৪ কিলোমিটার গতির বলে বাবর ড্রাইভ করতে গিয়ে আউট হন, যা রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রথম ইনিংসে কিছুটা খরুচে বোলিং করলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে রানা নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে প্রভাব ফেলতে সক্ষম হন।
এছাড়া, নাহিদ তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, "শুরুর দিকে কিছুটা চাপে থাকলেও, সাকিব ভাই এবং মুশফিক ভাইদের মতো লিজেন্ডদের সঙ্গে খেলা অনেক বড় অনুপ্রেরণা। হাসান মাহমুদ এবং শরীফুল ভাইয়ের সহায়তায় আমি লাইন ও লেংথ ঠিক করে বোলিং করতে পেরেছি।"
হাসান মাহমুদও রানার প্রশংসা করেন এবং বলেন, "নাহিদের বোলিং অ্যাফোর্ট দেখে বুঝতে পেরেছি সে খুব দ্রুতই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মানিয়ে নিচ্ছে। আমরা সবাই মিলে তাকে সাহস ও উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে সে ভালো বোলিং করতে পারে।"
স্পিনারদের পারফরম্যান্সও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল, যেখানে সাকিব আল হাসান এবং মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে ৭টি উইকেট নেন, যা শেষ দিনে ম্যাচের ভাগ্য পরিবর্তন করে দেয়। দলের সবাই সাকিব এবং মিরাজের ওপর বিশ্বাস রাখায় বাংলাদেশ সফলভাবে পাকিস্তানকে অলআউট করতে সক্ষম হয়।

Post a Comment